ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

বগুড়া প্রতিনিধিঃ-
  • আপডেট ০৬:২৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / 22
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের তিন শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের ভালতা গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
​নিহত শিশুরা হলো,আসাদুল ইসলামের ছেলে মো, জাকিরুল (০৬) ফারুক মন্তলের ছেলে মো, ফাহিম (৮) তার বোন সুরাইয়া(০৫)। ​স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে এই তিন শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুপুর ১ টার দিকে সালমা খাতুন নামের এক স্থানীয় নারী পুকুরের পানিতে জাকিরুলের নিথর দেহ ভাসতে দেখে চিৎকার দেন।
আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই সময়ে ফাহিম ও সুরাইয়ার নানি আবেদা বেগম তাদের দুই নাতি-নাতনিকে খুঁজে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু প্রামাণিক ওই পুকুরে নেমে তল্লাশি চালিয়ে ফাহিমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। সুরাইয়ার সন্ধান না পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে একই পুকুর থেকে শিশু সুরাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন।
​কাহালু থানার অফিসার  ইনচার্জ (ওসি) মো.শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে নিহত তিন শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

আপডেট ০৬:২৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের তিন শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের ভালতা গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
​নিহত শিশুরা হলো,আসাদুল ইসলামের ছেলে মো, জাকিরুল (০৬) ফারুক মন্তলের ছেলে মো, ফাহিম (৮) তার বোন সুরাইয়া(০৫)। ​স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে এই তিন শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুপুর ১ টার দিকে সালমা খাতুন নামের এক স্থানীয় নারী পুকুরের পানিতে জাকিরুলের নিথর দেহ ভাসতে দেখে চিৎকার দেন।
আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই সময়ে ফাহিম ও সুরাইয়ার নানি আবেদা বেগম তাদের দুই নাতি-নাতনিকে খুঁজে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু প্রামাণিক ওই পুকুরে নেমে তল্লাশি চালিয়ে ফাহিমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। সুরাইয়ার সন্ধান না পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে একই পুকুর থেকে শিশু সুরাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন।
​কাহালু থানার অফিসার  ইনচার্জ (ওসি) মো.শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে নিহত তিন শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।