ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষিতে গতি ফেরাচ্ছে সরকার, অনিয়ম ঠেকাতে নজরদারি 

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট ০৪:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / 22

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বগুড়ায় ১১টি খাল খনন করা হচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিসহ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি ফেরাচ্ছে বিএনপি সরকার। ভরাট হয়ে মরা খাল বা হারিয়ে যাওয়া খালগুলো আবার জীবন্ত করে তুলছে পুনঃখনন কর্মসূচি। জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি, পরিবেশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ অর্থনীতিকে নতুন রূপে প্রাণবন্ত করে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ জনপদ। বগুড়ার ফসলি মাঠে প্রাণ ফিরছে।
চলমান খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে অনিয়ম ঠেকাতে কড়া নজরদারি করছে বগুড়ার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ থাকলে সংশ্লিষ্টরা বিল তুলতে পারবেন না বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠলেই সরেজমিনে গিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছেন কর্মকর্তারা। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কঠোরতার ভূয়সী প্রশংসা করছেন কৃষকেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শেরপুর উপজেলার ভদ্রাবতী তিলকাতলা উপ-প্রকল্পে ভদ্রবতী খাল ৬ কিলোমিটার খনন চলছে। একদুলতলা ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার পুরোপুরি ও চকরামপুর ২ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হিসেবে ৬০% বলা হচ্ছে। সেখানে ১ কিলোমিটার খাল খনন পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করেছে। ঝাঝড় খাল ৫ দশমিক ৭৪৫ কিলোমিটার ও কইগাড়ি ১ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার খনন কাজ সম্পন্ন। শেষ পর্যায়ে রয়েছে দুদকুমড় বিলের খাল ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার কাজ। এছাড়া আদমদীঘি উপজেলার উপ-প্রকল্পের বসনবুড়ি খাল ৮ কিলোমিটার খনন শুরু হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলার চিতলার খাল উপ-প্রকল্পের চারটি খাল খনন কাজ শেষ। সেগুলো- চিতলার খাল ৭ দশমিক ১ কিলোমিটার, লোহার ব্রিজপাড় খাল ১ দশমিক ৭৭৫ কিলোমিটার, ব্র্যাঞ্চ খাল দশমিক ৮৮ কিলোমিটার এবং সংসারদীঘি পাড় দশমিক ৭৬ কিলোমিটার। শেরপুরের উপ-প্রকল্প মানিকের খাল ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার ও কোমরপুর আদমদীঘি খাল ৫ কিলোমিটার খনন কাজ ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে শুরু হবে। খাল খনন কর্মসূচিতে কৃষক সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) শেরপুর উপজেলার খাল খনন কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখা গেছে। পুনঃসংস্কার করায় সেচ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। খালগুলো সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা উপস্থিত থেকে খনন কাজ তদারকি করছেন। মরা খাল জীবন্ত হওয়ায় বর্ষার পানি সহজেই নিষ্কাশিত হবে। পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে সেচের কাজে ব্যবহার করাও সম্ভব। ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আসতে পারে। খাল খননের পাশাপাশি দুই পাশে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধিসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃষকেরা জানান, খাল খননে অনিয়ম ঠেকাতে চলমান কর্মসূচিতে এলাকার লোকজনও নজরদারির সুযোগ পেয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে থাকা খালগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছিল। বর্ষাকালে ফসলি জমির জন্য বড় সমস্যা ছিল জলাবদ্ধতা। বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের পথ না থাকায় কৃষিজমি দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকত। ফসল নষ্ট হয়ে কৃষক আর্থিক ক্ষতির মুখে ছিল। আবার শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচ সংকটের মুখে চাষাবাদে অতিরিক্ত খরচ গুনেছেন। বৃষ্টির পানিতে এখন আবাদি জমি ডুবছে না। শুষ্ক মৌসুমে খাল থেকেই পানি সংগ্রহ করা যাবে।
শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ জানান, ভদ্রাবতী খাল ৬ কিলোমিটার কাজ ৫৬ লাখ ৪ হাজার ৬৮২ টাকা চুক্তিতে শুরু হয়েছে। একদুলতলা ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং।চকরামপুর ১ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৫৩ টাকা চুক্তিতে খনন কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন। ঝাঝড় খাল ৫ দশমিক ৭৪৫ কিলোমিটার ৫৬ লাখ ১০ হাজার ২৫৫ টাকা, কইগাড়ি ১ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার ৬ লাখ ৪২ হাজার ৮২৪ টাকা এবং দুদকুমড় বিলের খাল ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৬ টাকা চুক্তি হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান জানান, খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কর্মসূচি। চলমান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত নজরদারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার এই কাজে কোন ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচি পুনর্বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে খাল খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। বিএনপি নির্বাচনে সরকার গঠনের পর খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের হারিয়ে যাওয়া নদী, খাল ও প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধারসহ সেচ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি  করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

কৃষিতে গতি ফেরাচ্ছে সরকার, অনিয়ম ঠেকাতে নজরদারি 

আপডেট ০৪:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বগুড়ায় ১১টি খাল খনন করা হচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিসহ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি ফেরাচ্ছে বিএনপি সরকার। ভরাট হয়ে মরা খাল বা হারিয়ে যাওয়া খালগুলো আবার জীবন্ত করে তুলছে পুনঃখনন কর্মসূচি। জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি, পরিবেশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ অর্থনীতিকে নতুন রূপে প্রাণবন্ত করে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ জনপদ। বগুড়ার ফসলি মাঠে প্রাণ ফিরছে।
চলমান খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে অনিয়ম ঠেকাতে কড়া নজরদারি করছে বগুড়ার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ থাকলে সংশ্লিষ্টরা বিল তুলতে পারবেন না বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠলেই সরেজমিনে গিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছেন কর্মকর্তারা। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কঠোরতার ভূয়সী প্রশংসা করছেন কৃষকেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শেরপুর উপজেলার ভদ্রাবতী তিলকাতলা উপ-প্রকল্পে ভদ্রবতী খাল ৬ কিলোমিটার খনন চলছে। একদুলতলা ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার পুরোপুরি ও চকরামপুর ২ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হিসেবে ৬০% বলা হচ্ছে। সেখানে ১ কিলোমিটার খাল খনন পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করেছে। ঝাঝড় খাল ৫ দশমিক ৭৪৫ কিলোমিটার ও কইগাড়ি ১ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার খনন কাজ সম্পন্ন। শেষ পর্যায়ে রয়েছে দুদকুমড় বিলের খাল ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার কাজ। এছাড়া আদমদীঘি উপজেলার উপ-প্রকল্পের বসনবুড়ি খাল ৮ কিলোমিটার খনন শুরু হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলার চিতলার খাল উপ-প্রকল্পের চারটি খাল খনন কাজ শেষ। সেগুলো- চিতলার খাল ৭ দশমিক ১ কিলোমিটার, লোহার ব্রিজপাড় খাল ১ দশমিক ৭৭৫ কিলোমিটার, ব্র্যাঞ্চ খাল দশমিক ৮৮ কিলোমিটার এবং সংসারদীঘি পাড় দশমিক ৭৬ কিলোমিটার। শেরপুরের উপ-প্রকল্প মানিকের খাল ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার ও কোমরপুর আদমদীঘি খাল ৫ কিলোমিটার খনন কাজ ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে শুরু হবে। খাল খনন কর্মসূচিতে কৃষক সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) শেরপুর উপজেলার খাল খনন কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখা গেছে। পুনঃসংস্কার করায় সেচ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। খালগুলো সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা উপস্থিত থেকে খনন কাজ তদারকি করছেন। মরা খাল জীবন্ত হওয়ায় বর্ষার পানি সহজেই নিষ্কাশিত হবে। পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে সেচের কাজে ব্যবহার করাও সম্ভব। ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আসতে পারে। খাল খননের পাশাপাশি দুই পাশে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধিসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃষকেরা জানান, খাল খননে অনিয়ম ঠেকাতে চলমান কর্মসূচিতে এলাকার লোকজনও নজরদারির সুযোগ পেয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে থাকা খালগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছিল। বর্ষাকালে ফসলি জমির জন্য বড় সমস্যা ছিল জলাবদ্ধতা। বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের পথ না থাকায় কৃষিজমি দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকত। ফসল নষ্ট হয়ে কৃষক আর্থিক ক্ষতির মুখে ছিল। আবার শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচ সংকটের মুখে চাষাবাদে অতিরিক্ত খরচ গুনেছেন। বৃষ্টির পানিতে এখন আবাদি জমি ডুবছে না। শুষ্ক মৌসুমে খাল থেকেই পানি সংগ্রহ করা যাবে।
শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ জানান, ভদ্রাবতী খাল ৬ কিলোমিটার কাজ ৫৬ লাখ ৪ হাজার ৬৮২ টাকা চুক্তিতে শুরু হয়েছে। একদুলতলা ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং।চকরামপুর ১ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৫৩ টাকা চুক্তিতে খনন কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন। ঝাঝড় খাল ৫ দশমিক ৭৪৫ কিলোমিটার ৫৬ লাখ ১০ হাজার ২৫৫ টাকা, কইগাড়ি ১ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার ৬ লাখ ৪২ হাজার ৮২৪ টাকা এবং দুদকুমড় বিলের খাল ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৬ টাকা চুক্তি হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান জানান, খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কর্মসূচি। চলমান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত নজরদারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার এই কাজে কোন ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচি পুনর্বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে খাল খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। বিএনপি নির্বাচনে সরকার গঠনের পর খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের হারিয়ে যাওয়া নদী, খাল ও প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধারসহ সেচ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি  করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।