ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় যুবদল নেতা হত্যার চারদিন পর ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বগুড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট ০৫:৩৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 767
বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকায় ইসকন মন্দিরের সামনে সংঘটিত যুবদলের নেতা হাবিবুর রহমান খোকন হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর মোট ২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ২৫ জন আসামির মধ্যে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং বাকি ৮ জন অজ্ঞাতনামা।
গত শুক্রবার রাতে নিহত খোকনের স্ত্রী ফারজানা আক্তার বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। শনিবার (১ নভেম্বর) বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
​মামলায় নাম উল্লেখ করা উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, মুন্না, ছামিউল, রকি, সিয়াম, সাগর, ধলা, মেহেদী, কাকন, মহিন, শাহিন, শাওন ও রাফিদ। এদের সবার বাড়ি শহরের সেউজগাড়ী ও কৈচর এলাকায়।
​গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে খোকন ও তার বন্ধু বাধন মোটরসাইকেলে করে সাবেক ছাত্রদল নেতা পাভেলকে দেখতে সেউজগাড়ী পালপাড়া এলাকায় যাচ্ছিলেন।​এ সময় সন্ত্রাসীদের একটি দল তাদের ঘিরে ফেলে।
​মুহূর্তের মধ্যে রামদা ও হাসুয়া দিয়ে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি কোপানো হয়।​মাথা, হাত, পা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খোকন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
​হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ​খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে খোকন ও বাধনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খোকনকে মৃত ঘোষণা করেন।
​নিহত হাবিবুর রহমান খোকন মালতিনগর দক্ষিণপাড়া এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে। তিনি পেশায় রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী ছিলেন এবং বগুড়া পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড যুবদলের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
​বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির জানিয়েছেন, খোকন হত্যাকাণ্ডে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় যুবদল নেতা হত্যার চারদিন পর ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট ০৫:৩৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকায় ইসকন মন্দিরের সামনে সংঘটিত যুবদলের নেতা হাবিবুর রহমান খোকন হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর মোট ২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ২৫ জন আসামির মধ্যে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং বাকি ৮ জন অজ্ঞাতনামা।
গত শুক্রবার রাতে নিহত খোকনের স্ত্রী ফারজানা আক্তার বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। শনিবার (১ নভেম্বর) বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
​মামলায় নাম উল্লেখ করা উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, মুন্না, ছামিউল, রকি, সিয়াম, সাগর, ধলা, মেহেদী, কাকন, মহিন, শাহিন, শাওন ও রাফিদ। এদের সবার বাড়ি শহরের সেউজগাড়ী ও কৈচর এলাকায়।
​গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে খোকন ও তার বন্ধু বাধন মোটরসাইকেলে করে সাবেক ছাত্রদল নেতা পাভেলকে দেখতে সেউজগাড়ী পালপাড়া এলাকায় যাচ্ছিলেন।​এ সময় সন্ত্রাসীদের একটি দল তাদের ঘিরে ফেলে।
​মুহূর্তের মধ্যে রামদা ও হাসুয়া দিয়ে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি কোপানো হয়।​মাথা, হাত, পা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খোকন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
​হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ​খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে খোকন ও বাধনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খোকনকে মৃত ঘোষণা করেন।
​নিহত হাবিবুর রহমান খোকন মালতিনগর দক্ষিণপাড়া এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে। তিনি পেশায় রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী ছিলেন এবং বগুড়া পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড যুবদলের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
​বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির জানিয়েছেন, খোকন হত্যাকাণ্ডে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।