অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশির নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মানবিক সহায়তা
- আপডেট ০৪:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
- / 8

বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন একজন গুরুতর অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশির নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করেছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহায়তায় ওই প্রবাসীর দেশে ফেরার বিমান টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে তিনি বাংলাদেশে ফিরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।
জানা যায়, ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম (৪৫) মালদ্বীপে কর্মরত অবস্থায় ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা ও মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন নিরাপদে দেশে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ উপলক্ষে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম নজরুল ইসলামের হাতে দেশে ফেরার বিমান টিকিট তুলে দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশে ফিরে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে নজরুল ইসলাম দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।
হাইকমিশনার প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে অব্যাহত সহায়তা ও নীতিগত সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসীবান্ধব বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগ বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে আস্থা, নিরাপত্তাবোধ এবং দেশের প্রতি বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করেছে। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন বাংলাদেশ সরকার, মালদ্বীপ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, নিয়োগকর্তা এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার, কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। প্রবাসীদের চিকিৎসা, আইনগত ও মানবিক সহায়তাসহ প্রয়োজনে নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হাইকমিশন ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাবে।















