ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. নজমুল ইসলামের বই উপহার

মোঃ বাবলু অর্ণব, মালদ্বীপ
  • আপডেট ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / 28


‎দি মালদ্বীপস ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (MNU) মঙ্গলবার এক আনুষ্ঠানিক বই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম রচিত গবেষণাগ্রন্থ Power of Bonding and Non-Western Soft Power Strategy in Iran: Comparing China and India’s Engagement গ্রহণ করেছে।

‎অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে এমএনইউ লাইব্রেরির সংগ্রহে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, সফট পাওয়ার, শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি নিয়ে রচিত এ গবেষণাগ্রন্থটি শিক্ষার্থী, গবেষক, শিক্ষক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হিসেবে কাজ করবে।

‎হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম কূটনীতি, শিক্ষা, গবেষণা ও জনসেবার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এক সমৃদ্ধ কর্মজীবনের অধিকারী। মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, সফট পাওয়ার, শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিষয়ে একজন স্বীকৃত গবেষক, শিক্ষাবিদ ও লেখক হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত। তাঁর গবেষণা ও প্রকাশনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ মূল্যবান গ্রন্থ উপহারের জন্য হাইকমিশনারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তারা জানায়, বইটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, কূটনীতি, সুশাসন, শান্তি অধ্যয়ন ও জননীতি নিয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে এটি নতুন গবেষণা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গভীরতর উপলব্ধি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

‎এমএনইউ জানিয়েছে, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চমানের একাডেমিক সম্পদে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, গবেষণার উৎকর্ষ সাধন এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে তাদের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করছে। পাশাপাশি জ্ঞান বিনিময়, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং দুই দেশের শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের মতে, এই উদ্যোগ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বাস্তবায়নেও সহায়ক। বিশেষ করে এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) অর্জনে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করা, এসডিজি-১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান) অর্জনে কূটনীতি ও শান্তিবিষয়ক গবেষণাকে উৎসাহিত করা এবং এসডিজি-১৭ (অংশীদারিত্বের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন) বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়কে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।

ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. নজমুল ইসলামের বই উপহার

আপডেট ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


‎দি মালদ্বীপস ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (MNU) মঙ্গলবার এক আনুষ্ঠানিক বই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম রচিত গবেষণাগ্রন্থ Power of Bonding and Non-Western Soft Power Strategy in Iran: Comparing China and India’s Engagement গ্রহণ করেছে।

‎অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে এমএনইউ লাইব্রেরির সংগ্রহে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, সফট পাওয়ার, শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি নিয়ে রচিত এ গবেষণাগ্রন্থটি শিক্ষার্থী, গবেষক, শিক্ষক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হিসেবে কাজ করবে।

‎হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম কূটনীতি, শিক্ষা, গবেষণা ও জনসেবার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এক সমৃদ্ধ কর্মজীবনের অধিকারী। মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, সফট পাওয়ার, শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিষয়ে একজন স্বীকৃত গবেষক, শিক্ষাবিদ ও লেখক হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত। তাঁর গবেষণা ও প্রকাশনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ মূল্যবান গ্রন্থ উপহারের জন্য হাইকমিশনারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তারা জানায়, বইটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, কূটনীতি, সুশাসন, শান্তি অধ্যয়ন ও জননীতি নিয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে এটি নতুন গবেষণা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গভীরতর উপলব্ধি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

‎এমএনইউ জানিয়েছে, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চমানের একাডেমিক সম্পদে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, গবেষণার উৎকর্ষ সাধন এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে তাদের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করছে। পাশাপাশি জ্ঞান বিনিময়, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং দুই দেশের শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের মতে, এই উদ্যোগ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বাস্তবায়নেও সহায়ক। বিশেষ করে এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) অর্জনে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করা, এসডিজি-১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান) অর্জনে কূটনীতি ও শান্তিবিষয়ক গবেষণাকে উৎসাহিত করা এবং এসডিজি-১৭ (অংশীদারিত্বের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন) বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়কে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।