নন্দীগ্রামে তীব্র গরমে ঘামঝরানো শ্রমিকদের পাশে জামাল হোসেন
- Update Time : ০২:৩১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
- / ৬২ Time View

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৩ নং ভাটরা ইউনিয়নের মাটি হাঁস গ্রামে সর্বজনীন মহাশ্মশানের রাস্তা সংস্কারে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এলাকার এমপি মহোদয়ের বরাদ্দকৃত অনুদানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গ্রামবাসী নিজেদের উদ্যোগে ও স্বেচ্ছাশ্রমে এই রাস্তা নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছেন।
১৯ জুন (শুক্রবার) সকাল ১০ টায় এই নির্মাণ কাজের তৃতীয় দিনে প্রকল্প স্থানে গিয়ে কর্মরত শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ জামাল হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাটি হাঁস সর্বজনীন মহাশ্মশানের প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন এমপি ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা অনুদান বরাদ্দ দেন। সরকারি এই সহায়তার পর গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ নিজ উদ্যোগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
চলমান এই নির্মাণ কাজের তৃতীয় দিনে আজ কাজের অগ্রগতি দেখতে এবং কর্মরত গ্রামবাসীদের উৎসাহিত করতে ছুটে যান এমপি মহোদয়ের স্নেহের ছোট ভাই এবং আসন্ন নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ জামাল হোসেন।
তীব্র তাদাহ ও পরিশ্রমের মধ্যে কাজ করা শ্রমিকদের প্রতি ভালোবাসার টানে তিনি নিজ হাতে সবার মাঝে কোল্ড ড্রিংকস ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করেন। এ সময় তিনি শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের এই সম্মিলিত উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ বিষয়ে মোঃ জামাল হোসেন বলেন, “জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাটি হাঁস গ্রামের এই উন্নয়নমূলক কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমার ভাই, মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন সবসময় এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।
স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নেওয়া গ্রামবাসী ও শ্রমিকরা জানান, এই তীব্র গরমে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামাল হোসেনের এই সৌজন্যতা এবং ভালোবাসা তাদের কাজের উদ্দীপনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা এই আন্তরিকতার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজসেবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
















