০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বগুড়ার নন্দীগ্রামে অপরাধ দমনে তৎপর পুলিশ,নিয়মিত অভিযানে কোণঠাসা অপরাধীরা।
স্টাফ রিপোর্টার
- Update Time : ০৪:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
- / ১২৭ Time View
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"adjust":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}
বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানায় নতুন ওসির দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আভাস মিলছে।নিয়মিত অভিযানে কোণঠাসা অপরাধীরা। থানার (ওসি) মো: তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ধারাবাহিক অভিযানে মাদক মামলা,নারী নির্যাতন,হত্যার ওয়ারেন্টভুক্তর একাধিক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ,পাশাপাশি অপরাধ দমনে নেওয়া হয়েছে কঠোর অবস্থান। সেই সাথে সাধারণ জিডির সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ৯ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ওসি মো: তারিকুল ইসলাম এলাকায় অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। ৯ই মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ২২টি মামলার আসামি কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে ।
নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এদিকে থানা এলাকার সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে ওঠা অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুড়ইল ইউনিয়নের সিধইল ও শুখান গাড়ি এলাকায় গত এক সপ্তাহে তিন দফা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে এসব এলাকায় অপরাধীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চাপ ও ভীতি।
পুলিশ জানায়,এসব অভিযানের অংশ হিসেবে জুয়া খেলার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত বিলাল হোসেনের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে থানা এলাকার আশপাশে যত জুয়ার আসর চলত, সেগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ আবার জুয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে পুলিশ। ট্যাপেন্টাডল ৩০ পিস ও ইয়াবা ৬০ পিস উদ্ধারসহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশের দাবি, মাদকচক্র ভাঙতে এসব অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি একটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাও রুজু হয়েছে।
এ ছাড়া হত্যা,ওয়ারেন্ট ও নিয়মিত মামলাসহ মোট ১৫ টি মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওসির নির্দেশনায় নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের এসব অভিযানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। এমন বক্তব্যে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন গতি এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: তারিকুল ইসলাম বলেন, নন্দীগ্রামকে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। জুয়া, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর। সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
পুলিশের এমন ধারাবাহিক তৎপরতায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর এলাকায় ফিরে আসছে স্বাভাবিকতা এমনটাই বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
Tag :














