০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, ভোট পড়েছে ৪২.৪৯%

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ০৬:০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬৭ Time View
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসনটি শূন্য হওয়ায় এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন শেষে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ভোটগ্রহণের হার দাঁড়িয়েছে ৪২.৪৯% (পোস্টাল ব্যালট ব্যতীত)।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া দায়িত্বে ছিলেন ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন করা হয় ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি ও ১০ প্লাটুন র‍্যাব। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ডগ স্কোয়াডও দায়িত্ব পালন করে।
মোট ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে কেন্দ্র ছিল ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি, যার মধ্যে ৭৮৭টি স্থায়ী ও ৪৮টি অস্থায়ী।
উল্লেখ্য নির্বাচন চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের নানা অভিযোগ তোলেন। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একাধিক অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি। তবে অনিয়মের অভিযোগ তুললেও শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে টিকে থাকার ঘোষণা দেন সোহেল।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, ভোট পড়েছে ৪২.৪৯%

Update Time : ০৬:০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসনটি শূন্য হওয়ায় এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন শেষে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ভোটগ্রহণের হার দাঁড়িয়েছে ৪২.৪৯% (পোস্টাল ব্যালট ব্যতীত)।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া দায়িত্বে ছিলেন ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন করা হয় ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি ও ১০ প্লাটুন র‍্যাব। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ডগ স্কোয়াডও দায়িত্ব পালন করে।
মোট ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে কেন্দ্র ছিল ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি, যার মধ্যে ৭৮৭টি স্থায়ী ও ৪৮টি অস্থায়ী।
উল্লেখ্য নির্বাচন চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের নানা অভিযোগ তোলেন। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একাধিক অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি। তবে অনিয়মের অভিযোগ তুললেও শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে টিকে থাকার ঘোষণা দেন সোহেল।