১২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা
স্টাফ রিপোর্টার
- Update Time : ০৯:১৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
- / ২৮ Time View

ভুয়া,বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের অভিযোগে একটি পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদকসহ চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৫ জুন) বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলী আদালতে বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মো. তানভীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মামলার বিবাদীরা হলেন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার এবং বগুড়া প্রতিনিধি শামস।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বগুড়ার সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম এবং বাদীর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সাংবাদিক ছিলেন দাবি করে এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন “রাস্তাকাণ্ডে” বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এছাড়া ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফরকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদী তার আবেদনে দাবি করেন, কোনো ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত প্রাথমিক শুনানি শেষে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালতের আদেশ অনুযায়ী মামলাটি সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হবে। পরবর্তীতে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করে আইনানুগ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Tag :
















