০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মোশারফ

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ০৯:৪১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩২৯ Time View
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৯ বগুড়া-৪ সংসদীয় আসনে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতীকের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মো. মোশারফ হোসেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বেদখল হওয়া বিএনপির দুর্গ পুনরুদ্ধার করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তিনি দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাবেক এমপি মো. মোশারফ হোসেন।
জানা গেছে, গত ১৭ ডিসেম্বর দলীয় প্যাডে বগুড়া-৪ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মোশারফ হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ধানের শীষ প্রতীকের চূড়ান্ত প্রার্থী মোশারফ হোসেনকে বিপুল পরিমাণ ভোটে জেতাতে একাট্টা হয়েছেন স্থানীয় বিএনপির বর্তমান ও সাবেক নেতারা। এরআগে সোমবার নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নন্দীগ্রাম এবং কাহালু উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের (ইউএনও) কাছ থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন বিএনপির প্রার্থী।
বিএনপি নেতারা বলছেন, দুর্দিনে নেতাকর্মীর দেখভাল, তৎপর সাংগঠনিক কার্যক্রম ও দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা রেখেছিলেন মোশারফ হোসেন। তাঁর ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। তিনি কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।
সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন বলেন, দীর্ঘ বঞ্চনার শিকার বগুড়ার মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। সাম্য, মানবিক এবং বিনয়ের বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলের সহযোগিতা চাই। অভিমান বা বৈষম্য নয়, আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। জনগণের সমর্থনই আমার শক্তি।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত বগুড়া-৪ আসন বিএনপির দখলে ছিল। দলটি ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। বিএনপির দুর্গে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের রেজাউল করিম তানসেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের নির্বাচনে বেদখল হওয়া বিএনপির দুর্গ পুনরুদ্ধার করেন মোশারফ হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন মোশারফ।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মোশারফ

Update Time : ০৯:৪১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৯ বগুড়া-৪ সংসদীয় আসনে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতীকের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মো. মোশারফ হোসেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বেদখল হওয়া বিএনপির দুর্গ পুনরুদ্ধার করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তিনি দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাবেক এমপি মো. মোশারফ হোসেন।
জানা গেছে, গত ১৭ ডিসেম্বর দলীয় প্যাডে বগুড়া-৪ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মোশারফ হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ধানের শীষ প্রতীকের চূড়ান্ত প্রার্থী মোশারফ হোসেনকে বিপুল পরিমাণ ভোটে জেতাতে একাট্টা হয়েছেন স্থানীয় বিএনপির বর্তমান ও সাবেক নেতারা। এরআগে সোমবার নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নন্দীগ্রাম এবং কাহালু উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের (ইউএনও) কাছ থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন বিএনপির প্রার্থী।
বিএনপি নেতারা বলছেন, দুর্দিনে নেতাকর্মীর দেখভাল, তৎপর সাংগঠনিক কার্যক্রম ও দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা রেখেছিলেন মোশারফ হোসেন। তাঁর ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। তিনি কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।
সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন বলেন, দীর্ঘ বঞ্চনার শিকার বগুড়ার মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। সাম্য, মানবিক এবং বিনয়ের বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলের সহযোগিতা চাই। অভিমান বা বৈষম্য নয়, আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। জনগণের সমর্থনই আমার শক্তি।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত বগুড়া-৪ আসন বিএনপির দখলে ছিল। দলটি ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। বিএনপির দুর্গে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের রেজাউল করিম তানসেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের নির্বাচনে বেদখল হওয়া বিএনপির দুর্গ পুনরুদ্ধার করেন মোশারফ হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন মোশারফ।