নন্দীগ্রামে ভিটামিন এ’প্লাস ক্যাম্পেইনে ২১ হাজার শিশু
- Update Time : ০৭:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
- / ৪৯ Time View

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ২১ হাজার ৩৬৬ শিশুকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হয়েছে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের দিনভর কার্যক্রম চলে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। উপজেলাজুড়ে ১২০টি অস্থায়ী ক্যাম্প, একটি স্থায়ী ও দুটি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পে শিশুদের মুখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল তুলে দেন স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টরা।
রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিজরুল হাসপাতালে ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আরা। সঙ্গে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার (হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক) ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন।
উপস্থিত ছিলেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. মনোজ্ঞ চিত্রলেখা কুন্ডু, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফরহাদ আল কবির, ডা. জ্যোতির্ময় কবিরাজ, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. মুমতাহিনা তাসনিম, ডা. আবু নাঈম, ডা. নিশাত রিমা, ডা. ফারিহা খান চৈতী, ডা. মাহবুবা জান্নাত মুন্নী প্রমুখ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত ক্যাম্পেইনের সন্তুষ্টির প্রকাশ করেন শিশুর অভিভাবকরা।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এটি একসময় জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম নামে পরিচিত ছিল। কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার জন্য জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সাথে ভিটামিন ‘এ’ সংযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আলাদা কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করে নাম দেওয়া হয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণের জটিলতা কমাতে এবং চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি বজায় রেখে অন্ধত্ব প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। শিশুর শরীরে ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতি দেখা দিলে রাতকানা রোগ, চোখের নানান ক্ষত বা ক্ষতি, অন্ধত্ব, সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধিসহ অপুষ্টিজনিত নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশু যদি হাম, ডায়রিয়া ইত্যাদিতে ভোগে, তাহলে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের জন্য নিরাপদ, কার্যকর। এই ক্যাম্পেইন জীবন রক্ষাকারী জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি।

















