০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় হিন্দু যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

‎মিজানুর রহমান মিলন, শাজাহানপুর
  • Update Time : ১১:৫৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৬৫ Time View

 

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা ইউনিয়নের ডোমনপুকুর এলাকার এক হিন্দু যুবক স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। গত রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর ) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

‎জানা গেছে, ধর্মান্তরের পূর্বে তার নাম ছিল শ্রী মদন কুমার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আব্দুল্লাহ। তিনি ডোমনপুকুর এলাকার শ্রী কালাচান-এর ছেলে।

‎ধর্মান্তরের বিষয়ে আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি কারো প্ররোচনায় নয়, সম্পূর্ণ স্বজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। অনেক দিন ধরেই ইসলামের প্রতি আমার গভীর আকর্ষণ ছিল। বহু চিন্তা-ভাবনার পর আমি এই ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই।

‎মাঝিরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় স্থানীয় একটি মসজিদে, যেখানে একজন ইমাম উপস্থিত ছিলেন এবং ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

‎এই ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় হিন্দু যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

Update Time : ১১:৫৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা ইউনিয়নের ডোমনপুকুর এলাকার এক হিন্দু যুবক স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। গত রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর ) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

‎জানা গেছে, ধর্মান্তরের পূর্বে তার নাম ছিল শ্রী মদন কুমার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আব্দুল্লাহ। তিনি ডোমনপুকুর এলাকার শ্রী কালাচান-এর ছেলে।

‎ধর্মান্তরের বিষয়ে আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি কারো প্ররোচনায় নয়, সম্পূর্ণ স্বজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। অনেক দিন ধরেই ইসলামের প্রতি আমার গভীর আকর্ষণ ছিল। বহু চিন্তা-ভাবনার পর আমি এই ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই।

‎মাঝিরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় স্থানীয় একটি মসজিদে, যেখানে একজন ইমাম উপস্থিত ছিলেন এবং ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

‎এই ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়েছে।