০৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় মসজিদের খালে মিলল ৬ গ্রেনেড, এলাকায় আতঙ্ক

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ০৭:২৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৫১৭ Time View

বগুড়ার ঝোপগাড়ি মার্কাজ মসজিদের পেছনের খালে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে ছয়টি হাতবোমা সদৃশ গ্রেনেড। স্থানীয়রা নানা শঙ্কায় আতঙ্কিত হলেও এই বস্তু অনেক পুরাতন বলছে পুলিশ। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

রোববার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকুমিড়া ঝোপগাড়ি এলাকার খাল থেকে প্রথমে চারটি এবং পরে আরও দুটি হাতবোমা উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। উদ্ধার গ্রেনেডগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, জনৈক ব্যক্তিরা পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেড দেখে পুলিশকে জানায়। এলাকায় জানাজানি হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতবোমা সদৃশ গ্রেনেডগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। অনেক পুরাতন, শঙ্কা বা আতঙ্কের কিছু নেই। স্বাধীনতা যুদ্ধ অথবা বিডিআর বিদ্রোহের সময় এগুলো খালে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় মসজিদের খালে মিলল ৬ গ্রেনেড, এলাকায় আতঙ্ক

Update Time : ০৭:২৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

বগুড়ার ঝোপগাড়ি মার্কাজ মসজিদের পেছনের খালে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে ছয়টি হাতবোমা সদৃশ গ্রেনেড। স্থানীয়রা নানা শঙ্কায় আতঙ্কিত হলেও এই বস্তু অনেক পুরাতন বলছে পুলিশ। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

রোববার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকুমিড়া ঝোপগাড়ি এলাকার খাল থেকে প্রথমে চারটি এবং পরে আরও দুটি হাতবোমা উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। উদ্ধার গ্রেনেডগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, জনৈক ব্যক্তিরা পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেড দেখে পুলিশকে জানায়। এলাকায় জানাজানি হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতবোমা সদৃশ গ্রেনেডগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। অনেক পুরাতন, শঙ্কা বা আতঙ্কের কিছু নেই। স্বাধীনতা যুদ্ধ অথবা বিডিআর বিদ্রোহের সময় এগুলো খালে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।