১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বগুড়ায় নদী ভাঙনে বিপন্ন জনজীবন
স্টাফ রিপোর্টার
- Update Time : ০৫:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২৮৫ Time View
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"adjust":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}
বগুড়ায় যমুনা নদীর করাল গ্রাসে লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে জনজীবন। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। আর এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ঘরবাড়ি হারানোর পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে এলাকার দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক কাঠামো।
ধুনট উপজেলায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। এই ভাঙনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও,যার ফলে পুরো অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে এক চরম অর্থনৈতিক সংকট।
বিশেষ করে উপজেলার ১ নং চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের খেয়াঘাটটি আন্তঃজেলা পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ভাঙনের ফলে ঘাটের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। এতে আশপাশের কয়েকটি উপজেলার সাথে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে ,পণ্যবাহী যান ও নৌকা ভিড়তে না পারায় বাজারে নিত্যপণ্যের সংকট দেখা দিচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৩ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা গেছে, চোখের পলকেই নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে শত বছরের বসতভিটা,সাজানো বাগান, ফসলি জমি ও ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
ক্ষতিগ্রস্তদের একজন বলেন,সবাই ঘরবাড়ি সরাতে ব্যস্ত, পেটের ক্ষুধার কথা ভাবার সময় নেই। আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকুও নদী কেড়ে নিচ্ছে। ঘাটের ইজারাদার ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন:নৌ-যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার রাজস্ব ও আয়ের পথ বন্ধ হচ্ছে। ঘাটের ইজারা তোলা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আন্তঃজেলা এই বাণিজ্য রুট।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের দাবি,কেবল ত্রাণ বা সাময়িক সাহায্য নয়, তাদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন টেকসই সমাধান। তারা জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং চালুয়াবাড়ী ১নং খেয়াঘাটটি সংস্কার করে দ্রুত নৌ-যোগাযোগ সচল করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে,সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে এই অর্থনৈতিক স্থবিরতা অদূর ভবিষ্যতে এক বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।
বগুড়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা বেশ কিছু এলাকায় পরিদর্শন করেছি। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন মোকাবিলায় কাজ শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
Tag :










