বগুড়া শহরের নবাববাড়ি সড়কের মুন কাচ্চি ও মুন ফুচকা নামের প্রতিষ্ঠানের কারখানায় ময়দার ডো তৈরির টেবিলে কুকুরের পায়ের ছাপ দেখা গেছে। ফুচকা উৎপাদন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, খাদ্যে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ রাসায়নিক ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠান মালিকের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অন্যদিকে, শহরের ফতেহ আলী বাজার গেট এলাকার ঘোষ মিষ্টান্ন ও দই কারখানা মালিকের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মানসনদ ছাড়াই দই উৎপাদন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করায় জরিমানা গুনেছেন ব্যবসায়ী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে শহরের চেলোপাড়া এলাকায় অবস্থিত দুটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘন করেছেন ফুচকা কারখানার মালিক সাকিব হোসেন। দায় স্বীকার করায় তাকে অর্থদন্ডাদেশ দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদ। সঙ্গে ছিলেন বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল। কারাদন্ডিত ব্যক্তিকে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালে ফুচকা কারখানায় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখা যায়। কাদা-ময়লার মধ্যে ফুচকা প্রস্তুত, ময়দার ডো তৈরির টেবিলে কুকুরের পায়ের ছাপ এবং অপরিষ্কার অবস্থায় ময়দা প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এছাড়া খাদ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ হাইড্রোজ রাসায়নিক ব্যবহার করে ফুচকা তৈরি, খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতার নিয়ম না মানার বিষয়টিও ধরা পড়ে। এরপর শহরের ফতেহ আলী বাজার গেট এলাকার চেলোপাড়া ঘোষ মিষ্টান্ন ও দই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। ব্যবসায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছেন।