বগুড়ায় মহাশ্মশানে রাধা-গোবিন্দের লীলা কীর্তন ও প্রসাদ বিতরণ
- Update Time : ০৩:১৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ৫৮১ Time View
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাটালদিঘী সার্বজনীন মহাশ্মশান ও শ্রীশ্রী কালী মন্দিরে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শ্রীশ্রী রাধা-গোবিন্দের লীলারস কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ সুসম্পন্ন হয়েছে। এই পুণ্য অনুষ্ঠানে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে।
গত শুক্রবার (৭ নভেম্বর) শ্রীমদ্ভগবদ্ গীতা পাঠ এবং মঙ্গল ঘট স্থাপন ও শুভ অধিবাসের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর রবিবার (৯ নভেম্বর) ৪র্থ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী রাধা-গোবিন্দের লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়।
লীলা কীর্তন শেষে শ্রীশ্রী মহাপ্রভুর ভোগ নিবেদন করা হয়। এরপর ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সমবেত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ ভক্তিভরে লীলা কীর্তন শ্রবণ করেন এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মহাশ্মশান ও কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং চয়েস টু চেঞ্জ অব হিন্দু ফাউন্ডেশনের পরিচালক শ্রীযুক্ত বাবু হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস (কোমরপুর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা)। তিনি মন্দির ও মহাশ্মশানের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য নগদ অর্থ অনুদান প্রদান করেন।
বাটালদিঘী মহাশ্মশানের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। বাটালদিঘী মহাশ্মশান কমিটির সদস্য রবীন্দ্রনাথ শীল দক্ষতার সঙ্গে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মিলন কুমার শীলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই মহতী আয়োজন সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।
এছাড়াও, তরুণ কুমার, সুব্রত কুমার, পবিত্র কুমার প্রমুখসহ মহাশ্মশান কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই ধর্মীয় আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।










