বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবি সংগ্রাম পরিষদ ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের গুরুত্ব, আন্দোলনের যৌক্তিকতা এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীদের করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা।
বুধবার দুপুরে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবি সংগ্রাম পরিষদের আয়োজনে সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক প্রকৌশলী নাফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইডিইবি, জেনিক বগুড়ার সভাপতি প্রকৌশলী আছাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফজর আলী লিটন।
আইডিইবি বগুড়ার সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক আবু সিনহা, বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট চিফ ইন্সট্রাক্টর শাফিউল আল আজিজ, সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব মোস্তফা আহসান হাবীব, আইডিইবি বগুড়ার সহ সভাপতি আনোয়ারুল, আইডিইবির মহিলা সম্পাদক শ্যামলী আকতার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিরু, সদস্য জিয়াউল হক, সদস্য বাবুল মিয়া।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সকল ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারগণ কাজ করছেন। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অবদান রেখে চলেছে। সেই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা ৩ দফা দাবি জানিয়েছে, তা অযৌক্তিক। আমরা ৭ দফা দাবি জানিয়েছে, যা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের যৌক্তিক দাবি। এই দাবি পূরণ করতে হবে। ১৯৭৮ সালে পজিটিভ আন্দোলন শহীদ জিয়াউর রহমান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দাবি পূরণ করেছিলেন। এরপর ১৯৯৩-৯৪ সালে বেগম খালেদা জিয়া ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার দাবি পূরণ করেছেন। কারণ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা সবসময় পজিটিভ এবং যৌক্তিক আন্দোলন করে থাকে। এবারও যে দাবি গুলো দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।